আইকিউএফ ফুলকপি
| বর্ণনা | আইকিউএফ ফুলকপি |
| প্রকার | হিমায়িত, IQF |
| আকৃতি | বিশেষ আকৃতি |
| আকার | কাট: ১-৩ সেমি, ২-৪ সেমি, ৩-৫ সেমি, ৪-৬ সেমি অথবা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী |
| গুণমান | কীটনাশকের কোনো অবশিষ্টাংশ নেই, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত বা পচা অংশও নেই। সাদা টেন্ডার বরফের আচ্ছাদন সর্বোচ্চ ৫% |
| আত্মজীবন | -১৮° সেলসিয়াসের নিচে ২৪ মাস |
| প্যাকিং | বাল্ক প্যাক: ২০ পাউন্ড, ৪০ পাউন্ড, ১০ কেজি, ২০ কেজি/কার্টন, টোট খুচরা প্যাকেট: ১ পাউন্ড, ৮ আউন্স, ১৬ আউন্স, ৫০০ গ্রাম, ১ কেজি/ব্যাগ |
| সার্টিফিকেট | HACCP/ISO/KOSHER/FDA/BRC, ইত্যাদি। |
পুষ্টির দিক থেকে, ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ফোলেট রয়েছে। এটি চর্বি ও কোলেস্টেরলমুক্ত এবং এতে সোডিয়ামের পরিমাণও কম। ফুলকপিতে থাকা উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি শুধুমাত্র মানুষের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্যই উপকারী নয়, বরং এটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে, লিভারের বিষমুক্তকরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে, শারীরিক গঠন উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে পাকস্থলীর ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এটি বিশেষভাবে কার্যকর। গবেষণায় দেখা গেছে যে, পাকস্থলীর ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের সিরাম সেলেনিয়ামের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং পাকস্থলীর রসে ভিটামিন সি-এর ঘনত্বও সাধারণ মানুষের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। ফুলকপি মানুষকে নির্দিষ্ট পরিমাণে সেলেনিয়াম ও ভিটামিন সি সরবরাহ করার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনও সরবরাহ করে, যা ক্যান্সারের পূর্বাবস্থায় থাকা কোষের গঠন প্রতিরোধ করতে এবং ক্যান্সারের বৃদ্ধিকে বাধা দিতে পারে।
ফুলকপির মানব স্বাস্থ্যের জন্য বহুবিধ উপকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা এমন উপকারী যৌগ যা কোষের ক্ষতি কমাতে, প্রদাহ হ্রাস করতে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়াও, এতে উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা পাকস্থলী, স্তন, কোলোরেক্টাল, ফুসফুস এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের মতো নির্দিষ্ট কিছু ধরনের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে সম্ভাব্যভাবে সাহায্য করতে পারে।

একই সাথে, উভয়টিতেই তুলনামূলক পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা একটি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান এবং এটি কোলেস্টেরল ও রক্তচাপের মাত্রা কমাতে পারে — এই দুটিই হৃদরোগের ঝুঁকির কারণ।
অনেকেই হিমায়িত সবজিকে তাজা সবজির চেয়ে কম স্বাস্থ্যকর বলে মনে করেন। তবে, বেশিরভাগ গবেষণাই ইঙ্গিত দেয় যে হিমায়িত সবজি তাজা সবজির মতোই পুষ্টিকর, এমনকি তার চেয়েও বেশি পুষ্টিকর। হিমায়িত সবজি পাকার সাথে সাথেই তোলা হয়, ধুয়ে নেওয়া হয়, ফুটন্ত জলে ব্লাঞ্চ করা হয় এবং তারপর ঠান্ডা বাতাস দিয়ে শুকানো হয়। এই ব্লাঞ্চিং এবং হিমায়িত করার প্রক্রিয়াটি সবজির গঠন এবং পুষ্টিগুণ সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। ফলে, হিমায়িত সবজিতে সাধারণত কোনো প্রিজারভেটিভের প্রয়োজন হয় না।













